Header Ads

Header ADS

প্রত্যাশা পূরণ হল না বিজেপি সাংসদদেরও



বাজেট শেষ হতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে শুভেচ্ছা জানালেন। তার পরে জানালেন, এই বাজেট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। তাঁর কথায়, ‘এটা এমন বাজেট যা একবিংশ শতকের উন্নয়নের মন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ বাজেটে আশা আছে, দিশা আছে।’ এই বাজেট পুরোপুরি নাগরিক-বান্ধব, উন্নয়ন-বান্ধব এবং দেশের যুবদের উজ্জল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে করা বাজেট বলে মনে করছেন মোদী।৷ আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মনে করছেন, নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই বাজেট ১৩০ কোটি ভারতীয়র আশা পূরণ করবে৷
প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বললেন ঠিকই, তবে সত্যিই কি প্রত্যাশা পূরণ হল?
না হল না। বিজেপি সাংসদদেরও নয়, সাধারণ মানুষেরও নয়।বিজেপি সাংসদরা প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না ঠিকই, কিন্তু এই বাজেট দেখে তাঁদেরও উল্লসিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ কৃষক, মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীদের জন্য কোনও সুখবর নেই, গ্রামও যে খুব কিছু পেয়েছে এমন নয়, পেট্রল-ডিজেলের দাম এক টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত লোককে একেবারেই খুশি করবে না৷ অথচ, লোকের প্রত্যাশাটা লোকসভা নির্বাচনের আগে ভোট অন অ্যাকাউন্ট থেকে বেড়ে গিয়েছিল৷ কৃষকদের আশা ছিল, তাঁদের ছ-হাজার টাকা বেড়ে দশ হাজার হবে, গরিবদের আশা ছিল পেনশন বাড়বে, নতুন কোনও কল্যাণ পরিকল্পনা নিয়ে আসবেন নরেন্দ্র মোদী৷প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হল, কৃষকদের আয় ২০২২-এর মধ্যে দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে৷ অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, কৃষিতে বৃদ্ধির হার ২.৯ শতাংশ৷ তিন বছরের মধ্যে কৃষকদের আয় বাড়াতে গেলে কৃষিতে বৃদ্ধির হার হতে হবে ১৪ শতাংশ৷ তার জন্য কৃষিতে বিপুল বিনিয়োগ দরকার ছিল৷ সেটা হয়নি৷ ফলে সেই আশায় জল পড়লে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷
বিজেপি নেতাদের ব্যাখ্যা, নরেন্দ্র মোদীর কাজের ধারা অনুযায়ী, এটাই স্বাভাবিক৷ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দু’বছরে তিনি কঠোর বাজেট করেন৷ পরের দু’বছরে তিনি লোককে কিছুটা ছাড় দেন৷ শেষ বছরে গিয়ে ঢালাও জনমোহিনী প্রকল্প নিয়ে আসেন৷ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি এই ফর্মুলা অনুসারে চলতেন৷ কেন্দ্রেও প্রথম পাঁচ বছরে একই কাজ করেছেন৷ আয়ুষ্মান ভারত, কৃষকদের বছরে ছ হাজার টাকা করে দেওয়া, পাঁচ লাখ পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না-র মতো সিদ্ধান্ত, সবই এসেছে শেষের দিকে৷ সাবর্ণদের জন্য সংরক্ষণ পর্যন্ত চালু করে দেওয়া হয়েছে৷ প্রথম দিকে মোদী কর্পোরেটকে ঢালাও সুবিধা দিয়েছেন বলে বিরোধীরা অভিযোগ করে গিয়েছেন৷ রাহুল গান্ধীর প্রিয় বাক্যবন্ধই ছিল, স্যুট বুট কি সরকার৷ সেই জায়গা থেকে তিনি যে গরিবদের পাশে থাকার বার্তা দিতে পেরেছেন, তা মূলত শেষ এক-দু বছরের সিদ্ধান্তের জন্য৷



Hi User
লগ ইন
























৩১তম আম উত্‍‌সবে ৫০০ রকমের আম!

জানকপুরীর দিল্লি হাটে আয়োজিত হয়েছে আম উত্‍‌সবদেখুন
৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তিতে চূড়ান্ত হল অ্যামাজন মালিকের ডিভোর্স!
EiSamay.Com | Updated: 06 Jul 2019, 11:17 AM
চুক্তির ভিত্তিতে ৪৯ বছরের ম্যাকেন্জি বেজয় বিবাহ বিচ্ছেদের পর Amazon.com-এর ১৯.৭ মিলিয়ন শেয়ার পাবেনএর ফলে তিনি অ্যামাজন সংস্থারশতাংশের মালিকানা পাবেন

অ্যামাজন মালিকের ডিভোর্স!
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে স্থির হল ডিভোর্সের রফা। অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস-এর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ম্যাকেনজি বেজসের বিবাহবিচ্ছেদের সেটলমেন্ট স্থির হয়েছে ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এই খবর প্রকাশিত হয়েছে Bloomberg News-এ।
চুক্তির ভিত্তিতে ৪৯ বছরের ম্যাকেন্জি বেজয় বিবাহ বিচ্ছেদের পর Amazon.com-এর ১৯.৭ মিলিয়ন শেয়ার পাবেন। এর ফলে তিনি অ্যামাজন সংস্থার ৪ শতাংশের মালিকানা পাবেন। এই মালিকানা পাওয়ার পরই Bloomberg Billionaires Index-এ তিনি উঠে এসেছেন ২২ নম্বরে। জেফ বেজস-এর অধীনে থাকবে সংস্থার ১২ শতাংশ শেয়ার। ফলে এখনও তিনিই থাকছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।
চুক্তির আরেক ভাগে ম্যাকেন্জি বেজস জানিয়েছেন দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং স্পেস এক্সপ্লোরেশন ফার্ম Blue Origin-এ তাঁর যে অংশীদারিত্ব রয়েছে তা হস্তান্তর করে দেবেন জেফকে। এছাড়াও ম্যাকেন্জি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাঁর ধন-সম্পদের অর্ধেক দান করবেন চ্যারিটিতে।দিনের সেরা খবর এবার হোয়াটসঅ্যাপেসাবসক্রাইব
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জানা যায় ২৫ বছরের বিয়ের থেকে বেরিয়ে আসতে চান অ্যামাজনের মালিক জেফ ও তাঁর স্ত্রী। শোনা যায় প্রাক্তন নিউজ অ্যাংকর লরেন সানশেজ-এর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই এই বিচ্ছেদ। ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন জেফ বেজস এবং ম্যাকেন্জি। তাঁদের চার সন্তান আছে।
এই বিষয়ে আরও পড়ুন:
এই সময় পড়ুনসব খবরের আপডেট পান

ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
অ্যাপ ডাউনলোড করুনডাউনলোড
Web Title : amazon’s founder jeff bezos and wife mackenzie bezos finalise divorce with $38 bn settlement (Bengali News from EI Samay , TIL Network)
Get business news, latest bangla news headlines from around the world. Stay updated with us to get latest business news in bangla.



amazon’s founder jeff bezos and wife mackenzie bezos finalise divorce with $38 bn settlement

পরের খবর

বিদ্যুতের ছোঁয়ায় মৃত
Updated: 06 Jul 2019, 09:00 AM
বিদ্যুতের ছোঁয়ায় মৃতএই সময়, ডায়মন্ড হারবারবসিরহাট: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল মা ও দুই ছেলেমেয়ের। ‌শুক্রবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে ঢোলাহাট ...

বিদ্যুতের ছোঁয়ায় মৃত ৪
এই সময়, ডায়মন্ড হারবার ও বসিরহাট: বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল মা ও দুই ছেলেমেয়ের। ‌শুক্রবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটে ঢোলাহাট থানার দক্ষিণ রায়পুরে। একই পরিবারের মৃত মঞ্জুরি নস্কর (৪৮), পরমেশ্বর নস্কর (২৮) ও পল্লবী নস্কর (২২)। পুলিশ সূত্রের খবর, অরবিন্দ নস্কর প্রাইভেট টিউশন পড়িয়ে সংসার চালাতেন। মাটির বাড়ির পাশেই সম্প্রতি একটি পাকা বাড়ি তৈরি করছিলেন তিনি। বাড়িতে প্লাস্টারের কাজ করার জন্য অস্থায়ী ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। নতুন বাড়ির গ্রিলের দরজায় জড়ানো ছিল বিদ্যুতের তার। এ দিন দুপুর থেকে অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়। গ্রিলের গায়ে বিদ্যুতের তার যে কাটা ছিল, তা পরিবারের কেউ খেয়াল করেননি। ছেলে পরমেশ্বর প্রথম গ্রিলে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁর আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন মা মঞ্জুরি। তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। মা ও দাদাকে বাঁচাতে ছুটে এসে বোন পল্লবীও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে স্থানীয়রা তিনজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, মাঠে ঘাস কাটতে বেরিয়ে স্বরূপনগরের বারঘরিয়া গ্রামের উত্তরপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক মহিলার। মৃতের নাম রাবিয়া বিবি (৫৫)। সকালে গোরুকে খেতে দেওয়ার জন্য ঘাস কাটতে মাঠে গিয়েছিল রাবিয়া। সেখানে পড়ে থাকা তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ওই মহিলা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকায় মাগুর মাছের হ্যাচারিতে শেয়ালের উপদ্রব ঠেকাতে বিদ্যুতের তার ফেলে রাখে মাছ ব্যবসায়ীরা। তেমনই একটি তার ছুঁয়ে ফেলন রাবিয়া।
এই সময় পড়ুনসব খবরের আপডেট পান

ফেসবুক পেজ লাইক করুন।
অ্যাপ ডাউনলোড করুনডাউনলোড
Web Title : 4 dead in lightning (Bengali News from EI Samay , TIL Network)
Get business news, latest bangla news headlines from around the world. Stay updated with us to get latest business news in bangla.



4 dead in lightning

পরের খবর

প্রত্যাশা পূরণ হল না বিজেপি সাংসদদেরও
EiSamay.Com | Updated: 06 Jul 2019, 08:38 AM
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হল, কৃষকদের আয় ২০২২-এর মধ্যে দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে৷ অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, কৃষিতে বৃদ্ধির হার ২.৯ শতাংশতিন বছরের মধ্যে কৃষকদের আয় বাড়াতে গেলে কৃষিতে বৃদ্ধির হার হতে হবে ১৪ শতাংশ

সংসদ
হাইলাইটস
এই বাজেট পুরোপুরি নাগরিক-বান্ধব, উন্নয়ন-বান্ধব এবং দেশের যুবদের উজ্জল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে করা বাজেট বলে মনে করছেন মোদী।

আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মনে করছেন, নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই বাজেট ১৩০ কোটি ভারতীয়র আশা পূরণ করবে৷
এই সময়, ডিজিটাল ডেস্ক: বাজেট শেষ হতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে শুভেচ্ছা জানালেন। তার পরে জানালেন, এই বাজেট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। তাঁর কথায়, ‘এটা এমন বাজেট যা একবিংশ শতকের উন্নয়নের মন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ বাজেটে আশা আছে, দিশা আছে।’ এই বাজেট পুরোপুরি নাগরিক-বান্ধব, উন্নয়ন-বান্ধব এবং দেশের যুবদের উজ্জল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে করা বাজেট বলে মনে করছেন মোদী।৷ আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মনে করছেন, নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে এই বাজেট ১৩০ কোটি ভারতীয়র আশা পূরণ করবে৷
প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বললেন ঠিকই, তবে সত্যিই কি প্রত্যাশা পূরণ হল?
না হল না। বিজেপি সাংসদদেরও নয়, সাধারণ মানুষেরও নয়।
দিনের সেরা খবর এবার হোয়াটসঅ্যাপেসাবসক্রাইব
বিজেপি সাংসদরা প্রকাশ্যে কিছু বলছেন না ঠিকই, কিন্তু এই বাজেট দেখে তাঁদেরও উল্লসিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ কৃষক, মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীদের জন্য কোনও সুখবর নেই, গ্রামও যে খুব কিছু পেয়েছে এমন নয়, পেট্রল-ডিজেলের দাম এক টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত লোককে একেবারেই খুশি করবে না৷ অথচ, লোকের প্রত্যাশাটা লোকসভা নির্বাচনের আগে ভোট অন অ্যাকাউন্ট থেকে বেড়ে গিয়েছিল৷ কৃষকদের আশা ছিল, তাঁদের ছ-হাজার টাকা বেড়ে দশ হাজার হবে, গরিবদের আশা ছিল পেনশন বাড়বে, নতুন কোনও কল্যাণ পরিকল্পনা নিয়ে আসবেন নরেন্দ্র মোদী৷
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা হল, কৃষকদের আয় ২০২২-এর মধ্যে দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে৷ অর্থনৈতিক সমীক্ষা বলছে, কৃষিতে বৃদ্ধির হার ২.৯ শতাংশ৷ তিন বছরের মধ্যে কৃষকদের আয় বাড়াতে গেলে কৃষিতে বৃদ্ধির হার হতে হবে ১৪ শতাংশ৷ তার জন্য কৃষিতে বিপুল বিনিয়োগ দরকার ছিল৷ সেটা হয়নি৷ ফলে সেই আশায় জল পড়লে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷
বিজেপি নেতাদের ব্যাখ্যা, নরেন্দ্র মোদীর কাজের ধারা অনুযায়ী, এটাই স্বাভাবিক৷ ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দু’বছরে তিনি কঠোর বাজেট করেন৷ পরের দু’বছরে তিনি লোককে কিছুটা ছাড় দেন৷ শেষ বছরে গিয়ে ঢালাও জনমোহিনী প্রকল্প নিয়ে আসেন৷ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তিনি এই ফর্মুলা অনুসারে চলতেন৷ কেন্দ্রেও প্রথম পাঁচ বছরে একই কাজ করেছেন৷ আয়ুষ্মান ভারত, কৃষকদের বছরে ছ হাজার টাকা করে দেওয়া, পাঁচ লাখ পর্যন্ত আয়কর দিতে হবে না-র মতো সিদ্ধান্ত, সবই এসেছে শেষের দিকে৷ সাবর্ণদের জন্য সংরক্ষণ পর্যন্ত চালু করে দেওয়া হয়েছে৷ প্রথম দিকে মোদী কর্পোরেটকে ঢালাও সুবিধা দিয়েছেন বলে বিরোধীরা অভিযোগ করে গিয়েছেন৷ রাহুল গান্ধীর প্রিয় বাক্যবন্ধই ছিল, স্যুট বুট কি সরকার৷ সেই জায়গা থেকে তিনি যে গরিবদের পাশে থাকার বার্তা দিতে পেরেছেন, তা মূলত শেষ এক-দু বছরের সিদ্ধান্তের জন্য৷
এ বারও মোদী একই পথে চললে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷ এখন সামনে লোকসভা নির্বাচন নেই৷ তিনটি রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা ভোট আছে ঠিকই, কিন্তু বিরোধীরা সেখানে ছত্রভঙ্গ৷ কংগ্রেসে তো বিপর্যয়ের পর ডামা‌ডোল চলছে৷ আর রাজ্যের ভোট হয় মূলত সেই রাজ্যের বিষয়কে হাতিয়ার করে৷ ফলে এখনই লোককে সন্তুষ্ট করার দায়টা প্রধানমন্ত্রীর নেই৷ বরং অর্থনীতির যে হাল, হাতে টাকা না থাকার সমস্যা যেখানে তীব্র, সেখানে কেনই বা জনমোহিনী পথে হাঁটবেন তিনি৷ তার জন্য তো শেষের এক-দু বছর আছেই৷ এ বারের বাজেট সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে৷

No comments

Powered by Blogger.