ডিভোর্স আইনের ক্ষেত্রে ভারত অত্যন্ত প্রগতিশীল দেশ। স্বাধীনতার ঠিক পরেই এই বিল মহিলা, পুরুষ উভয়ের জন্য পাশ হলেও পুরো পদ্ধতিই খুব সময়সাপেক্ষ এবং খরচসাপেক্ষও। যা এড়াতে অনেকে ডিভোর্সে যান না। আবার ডিভোর্স আইনে আদালতের দোরগোড়ায় আবেদন নিয়ে গেলেও ফিরে আসেন অনেকেই। আদালতের বিচারকরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের কথা মাথায় রেখে সম্পর্ক আবার ঠিক করে নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ধর্ম অবশ্য আরও একটা কারণ। ভারতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদেরই সংখ্যা বেশি। হিন্দুধর্মে বিয়ে অন্যতম পবিত্র রীতি। তাই বিয়ে ভাঙা এদেশে বেশির ভাগ মানুষের কাছে ধর্মের অবমাননার সমান।
আবার উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ডিভোর্সের হার তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকার মহিলা আর্থিক দিক থেকে বেশি স্বাবলম্বী। তারা যে কোনও অনাচারের বিরুদ্ধে সরব হন। প্রয়োজনে ডিভোর্সের আবেদনও করেন। এখানে প্রেমের সম্পর্কে বিচ্ছেদ মেনে নিলেও, ডিভোর্স নিয়ে সাবলীল নয় সিংহভাগ মানুষ। শুধু মহিলারা নয়, প্রয়োজনে পুরুষরাও দাম্পত্য জীবন খারাপ হলেও বিয়ে টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়। সাধারণত সামাজিক দায়ের কথা মাথায় রেখেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায় অধিকাংশ মানুষ